"যুদ্ধদিনের স্মৃতি" বিশ জন মানুষের কথার মধ্যে উঠে এসেছে একটি বিশেষ সময়, ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা। যাঁরা কথা বলছেন, তারা প্রায় কেউই কেন্দ্রে থাকা মানুষ নন। প্রথমবারের মতো নিজেদের অভিজ্ঞতার বয়ান দিয়েছেন। প্রান্ত থেকে কেন্দ্রে পৌঁছানোর এই চেষ্টাটুকু খুব সৎ। শখে কেনা সেলফে সাজান বই পড়া না হলে সংখ্যাই বাড়ায় কেবল। কিন্তু সে বই পঠিত হলে বইলব্ধ জ্ঞান নিজেকে ঋদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজ গঠনে অবদান রাখতে পারে। মুক্তিযুদ্ধও তেমন। যথাযথ চর্চার মাধ্যমে মুক্তির পথ উন্মুক্ত করার শক্তি মুক্তিযুদ্ধেরই আছে। পঁচিশ থেকে ত্রিশ বছর পর হয়তো আমরা কোনো জীবিত মুক্তিযুদ্ধ পাব না, পাশে থাকবেন না মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শীরাও। কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জনের অনেক কাহিনী। সে বিবেচনায় "যুদ্ধদিনের স্মৃতি" মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ দলিল রচনার আকর হয়ে উঠতে পারে।