কবিতা, কাব্য বা পদ্য হচ্ছে শব্দ প্রয়োগের ছান্দসিক কিংবা অনিবার্য ভাবার্থের বাক্যবিন্যাস, যা একজন কবির আবেগ-উপলব্ধি ও চিন্তা করার সংক্ষিপ্তরূপ এবং তা অবশ্যই উপমা-উৎপ্রেক্ষা-চিত্রকল্পের সাহায্যে আন্দোলন সৃষ্টির উদাহরণ। পৃথিবী নামক গ্রহের তাবৎ বিষয়কে পুঁজি করে কবিতা ফলত সুমধুর শ্রুতিযোগ্য করে তোলাই একজন কবির কাজ। বাস্তবিক অর্থেই একজন কবি হচ্ছেন নির্মাণের সুনিপুণ কারিগর। সমাজ কিংবা রাষ্ট্র যখন পথ হারায়, তিমিরছায়ায় ঢেকে পড়ে সবকিছু, তখন একজন কবিই দেখান আলোর দিশা। কবিরা আসলে লিখেন না, কবিরা আসলে বলেন না; কবিরা হেঁয়ালি করেন। তাদের হেঁয়ালিপনাই আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায় মহাকালের সন্ধান করতে। এ রকম একজন হেঁয়ালি নবীন, তরুণ কবি জ্যাকলিন কাব্য। সভ্যতার লাল জমিনে নতুন নতুন মেনিফেস্টোর বাণী নিয়ে জ্যাকলিন আসছে এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায়। এই বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘কাব্যজয়’। আমাকে খোঁজেনি তারা দূরদ্বীপের কোন আত্মহারা পথিক মেঘে মেঘে নকশা এঁকে আর তার কটিদেশে ভেসেছে জল নিঝঝুম কৃষ্ণগহ্বরে বেজেছে সেতারা। জ্যাকলিন কাব্যের বিজয় নিশান উড়ছে, উড়ুক।