কবি টের পান জীবনের মৌলিক সংজ্ঞাটিকে। আর এটা টের পাওয়ার পরেই কবির হৃদয়ে ভাষার জন্ম হয়, সেই ভাষারÑ যা বিগ ব্যাংয়ের মহাবিস্ফোরণের বর্ণমালায় গাঁথা জড়ের আর্তনাদ। আইনস্টাইনের অঙ্কে এই ভাষার প্রতিধ্বনি ধরা পড়েছিল। মানমন্দিরের যন্ত্রে ধরা পড়েছে তার প্রতিলিপি। বড় একা, বড় নিঃসঙ্গ এই ভাষা। আর তারই অনুকরণে মানুষ যে কতরকম ভাষা তৈরি করেছে, চেষ্টা করেছে ওই আর্তনাদের সবচেয়ে কাছাকাছি অনুবাদটিকে শব্দের কম্পাঙ্কে ধরতে! কবিরাও সেই চেষ্টাই করে।