”খেয়াবতী”বইয়ের প্রথম ফ্ল্যাপ এর লেখা: সজল আর কিছু না বলে চলে গেল। । নিশিতা বারান্দাতেই বসে রইল। তার উঠতে ইচ্ছে। করছে না। সে শুধু কবরটার দিকেই তাকিয়ে থাকলাে ।। একটু পর পর তার চোখ বেয়ে কখন জল গড়িয়ে পড়ছে সে বুঝতে পারছে না। সে আনিসকে কতােটা ভালােবাসতাে তা হয়তাে কোনদিনই কাউকে বলে বােঝাতে পারবে না। মানুষ শুধু ভালােবাসতে পারে, কিন্তু ভালােবাসার কথা কাউকে বুঝিয়ে বলতে পারে না। আনিস চলে গেছে অনেকদিন। তবু নিশিতা আনিসের জায়গায় কাউকে কেন ভাবতে পারে না, তার উত্তর জানা নেই। ঘাট খালি হয়ে গেলেও, পুরনাে হয়ে গেলেও হয়তাে খেয়া পারাপারের স্মৃতি পুরনাে হয় না।। কেউ না কেউ সেটা ধরে রাখে আজীবন।