ওমর সজীব-এর কবিতায় দৃশ্যমান হয়ে ওঠে দুটি জগৎÑ তার জাপিত জগৎ এর পাশাপাশি আরেকটি জগৎ প্রবলতর হয়ে ওঠে, তা বিষাদিত সুরের কল্পনায় পাঠককে আছন্ন করে রাখে। তার কবিতায় পাওয়া যায় একাকীত্বের বিভা, যা কবিকে করে শব্দ মুখর। এক অলক্ষ্যে যন্ত্রণা তাকে সৃষ্টির আনন্দে তাড়িয়ে বেড়ায়, নিয়ে যেতে চায় অচিন আনন্দলোকে। তাপদগ্ধ প্রাণ শুনতে পায় দুরাগত বাঁশির সুর, যে সুর তাকে উতলা করে, অধীর করে। বিভোর ভূবন মতোয়ারা করে, করে বাঁধনহারা। অপূর্ণতার বেদনায়, কাতর কবিমন প্রতিনিয়ত মনের মানুষ খুঁজে বেড়ায়। কবিতার পঙতিতে ঝংকার তোলে সুর মূর্চ্ছনায় তাঁকে নিয়ে যায় মহাকালে। অন্তর্গত রক্তের ভেতর খেলা করে অবিনাস্বী গান। তাঁর কবিতা যেমন সহজবোধ্য তেমনি সুখপাঠ্য। ‘খঞ্জরের ফুলমালা’ ওমর সজীব-এর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নীল তরঙ্গ সমুদ্র’।