যন্ত্রণায় বুকটা মোচড় দিয়ে উঠে ডাঃ আতিকের। কত স্বপ্ন নিয়ে রশ্মিকে ডাক্তারী পড়িয়েছে নিজের কানকে যেন কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছে না। কথাটা কি ঠিক শুনলাম? নাম, যশ, খ্যাতি, প্রাচুর্য, পারিবারিক ঐতিহ্য কোন কিছুরই কমতি নেই ডাঃ আতিকের। নিজে একজন দক্ষ হার্ট ঝঢ়বপরধষরংঃ স্ত্রী ডাঃ মনিকাও একজন দক্ষ শিশু বিশেষজ্ঞ। রশ্মি আর রূপন্তীকে নিয়ে আতিকের সুখের সংসার। ধানমন্ডিতে দশ কাঠার উপর দোতলার বাড়ি। সাজানো গোছানো ছিমছাম। ছেলে হয়নি বলে কখনও দুঃখ ছিল না আতিকের। পিঠাপিঠি দুই বোন। রশ্মি ইর্ন্টানি করছে। রূপন্তীর আগামী বছর অৎপযরঃবপঃঁৎু পড়া শেষ হবে। বাবা মার সাথে দুই মেয়েরই খুব বন্ধুর মতো সম্পর্ক। তারপরও রশ্মি কথাটা সরাসরি বাবাকে বলতে পারলো না মাকেই একা বললো বাবাকে বলার জন্য। ইর্ন্টার্নি শেষ হতে আর সপ্তাহ খানেক বাকি। রশ্মির সাথে বান্টির ঘনিষ্ঠতার কথা দুই পরিবারই মোটামুটি জানে। বান্টি দু ক্লাস সিনিয়র হওয়ায় পাশ করেই পিজিতে জয়েন করেছে। এবার পারিবারিকভাবে বিয়ের কথাবার্তা উঠে। সেকেন্ড ইয়ার থাকতেই বান্টির প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছিল রশ্মি। দু’জনের মধ্যে খুবই ভালো টহফবৎংঃধহফরহম ছিল। ভালবাসার খাতিরে মানুষ নিজেকে কতো বদলে ফেলতে পারে তার প্রমাণ দিল রশ্মি। সেদিনটা মনের আয়নায় চিরদিন বোধ হয় ভেসে থাকবে।