এই মহানগরের সড়কে হেঁটে চলেছেন একজন মানুষ। ভাবুক মুখ। পরনে পাঞ্জাবি। শরীরের পিছনে এক হাতের মুঠোয় আরেক হাত বাঁধা। বিকেলের রোদ মেখে তিনি যখন ধীর পায়ে হেঁটে চলেন, তাকে খানিকটা রবীন্দ্রনাথের মতো লাগে। আদতেও এই কবি মানুষটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় ভক্ত। কবিগুরুকে অনুসরণ করে চলেন। কথায় ব্যথায় প্রিয় কবিতার পঙ্ক্তি তার মনে ভাসে। কবিতাই তার শেষমেশ আশ্রয়। কবি নির্লিপ্ত চোখে এই শহর দেখেন, মানুষ দেখেন, তাদের কাণ্ডকারখানা দেখে যান। আত্মজিজ্ঞাসাও তাকে কখনো পীড়িত করে। অবশেষে কবিতার পথ ধরে তিনি পেরিয়ে যান সুখ-দুঃখের তেপান্তর । সেই কবিকে নিয়েই এই গল্প। চলুন, তার সাথে খানিক হেঁটে আসি, তাকে দেখে আসি...।