জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাঙালির জাগরণের দলিল ‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটি থেকে বিশ্ব মানব সভ্যতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার কষ্টার্জিত ঘটনাগুলো জানতে পারবে। ‘থালা-বাটি কম্বল, জেলখানার সম্বল’ বঙ্গবন্ধুর কণ্টকময় জীবনের ত্যাগের বিনিময় বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির। ঝড়ষরঃধৎু ঈড়হভরহবসবহঃ- এর নৃশংস জীবনযাপনই জোগাড় করেছিল আরো প্রবল মানসিক শক্তি। আপামর জনতার মুক্তিতে বিশ্বাসী শেখ মুজিব এঁর মা সায়েরা খাতুনের সেই আকুতি ‘তুই আমকে দেখতে আয়, আমি আর বেশিদিন বাঁচব না।’ কিংবা দু’বছরের ছোট্ট শিশু রাসেলের আধো আধো বোলের স্নেহময় আরতি ‘আব্বা বালি (বাড়ি ) চলো।’ কী উত্তর দেবেন তা ভেবে পাননি! কারাগারের চারদেয়ালের হলুদ পাখি দুইটাকেই নিয়েছিলেন আপন করে। কবি আফরোজা নাইচ রিমা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থ অবলম্বনে লিখিত ‘কবিতার মায়ায় কারাভাষ্য’ কাব্যগ্রন্থটি যেন কবিতার মায়াজালের দিনলিপি সংবলিত। আশা করি সাহিত্যলোক এবং কবিতাপ্রেমীদের এ কাব্যগ্রন্থখানি সংগ্রহকৃত অমূল্য বই হিসেবে রয়ে যাবে। মুহম্মদ নূরুল হুদা মহাপরচিালক বাংলা একাডমেি