প্রথম অধ্যায়ে ও দ্বিতীয় অধ্যায়ে আছে কল্লোলের প্রকাশ ও পরিচালনা সম্পর্কিত নানা দিকের পরিচয়, তাতে অনেক প্রাসঙ্গিক সংবাদ পাঠক প্রথম জানতে পারবেন। তৃতীয় অধ্যায়ে কল্লোলের আড্ডাধারী ও লেখকগোষ্ঠী সম্পর্কে বিবরণ দিয়েছি। চতুর্থ অধ্যায়ে সংকলন করে দিয়েছি কল্লোলের পূর্ণ সূচিপত্র।* পঞ্চম অধ্যায়ে আছে কল্লোলের মূল্যবিচার। সামাজিক ও সাহিত্যিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কল্লোলের সাহিত্য সাধনার মূলসূত্রগুলি লিপিবদ্ধ হয়েছে। পত্রিকাটির ঐতিহাসিক ভূমিকা ও বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার স্বরূপ নির্ণয়ে এই সূত্র-নির্দেশ কাজে লাগবে বলে মনে করি। ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম অধ্যায়ে যথাক্রমে কালি-কলম, প্রগতি ও ধূপছায়ার ইতিবৃত্ত রচনা করেছি এবং বাংলা সাহিত্যের পালাবদলে পত্রিকা তিনটির ভূমিকা নির্ণয় করার চেষ্টা করেছি। পরিশিষ্টে কল্লোলের দুই স্তম্ভ – দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগের বিস্তৃত পরিচয় দিয়েছি।