"কপিলাবস্তু নগরে বুদ্ধ" বই এর ফ্ল্যাপের লেখা প্রাচীন কপিলাবস্তু নগর। এই নগর বুদ্ধ একদিন পরিত্যাগ করেছিলেন, জীবের চিরকালের অনন্ত দুঃখ মোচন করবেন বলে। তারপর ছ-বছরের দুষ্কর তপস্যার শেষে লাভ করেছিলেন বোধি। বোধিলাভের এক বছর পর তিনি ফিরে এসেছিলেন আবার কপিলাবস্তুতে। তখন তিনি আর কপিলাবস্তুর রাজপুত্র সিদ্ধার্থ নন, বরং বৌদ্ধসংঘের সংঘপ্রধান, সর্বত্যাগী এক শ্রমণ। এইসময় বুদ্ধ কেবল করুণার প্রতিমূর্তি ছিলেন না। ধর্মের প্রচারে বাধাদানকারী দণ্ডপাণি শাক্যের মৃত্যুর ঘোষণা করেছিলেন। দেবদহ ও কপিলাবস্তুর যুদ্ধ বন্ধ করেছিলেন একজন যথার্থ অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মতো। সংঘের প্রতিটি ভিক্ষুর সঙ্গে তিনি মিশতেন বন্ধুর মতো, আবার কখনও প্রয়োজনে হয়ে উঠতেন তীব্র, সুকঠিন।