ঘরে থাকার শর্ত হিসেবে অভিনবত্ব দেখিয়েছে রাজধানীর রাজাবাজারবাসীরা। রাজার বাজার বলেই কথা। মাঝরাতে এক রাজাবাজারবাসী স্বেচ্ছাসেবকদের ফোন করে বলেছেন, জর্দা নেই, ভাই পান খেতে পারছি না। তাই আমার পানের জন্য হাকিমপুরী জর্দা চাই। নাতি তো আবার গরম পিৎজা খাওয়ার বায়না ধরেছে। একটা গরম পিৎজা হলে ভালো হয় । একজন আবার আবদার করেছেন, একা একা ঘুম আসছে না। কয়েকটা পেগ আর গার্লফ্রেন্ড পাওয়া যাবে কি? এমন অদ্ভুত চাহিদায় বিরক্ত না হয়ে স্বেচ্ছাসেবকরা গভীর ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। শেষ পর্যন্ত কী কী সেবা তারা দিয়েছেন তা অবশ্য জানা যায়নি, তবে গভীর মমতায় তারা রাজাবাজারের রাজাদের সেবা দিয়ে গেছেন বলেই সুনাম কুড়িয়েছেন । তবে রাজধানীর ওয়ারীর লকডাউনের সময় ওয়ারীবাসী যখন অস্বীকৃতি জানাচ্ছিল, তখন রেগেমেগে অন্য এলাকার এক ভদ্রলোক সুচিত্রা সেনের উদাহরণ টেনে বলেছেন, তিনি ৩০ বছর ঘর থেকে বের হননি।