ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক, যদি হয় অবুঝ কিংবা ভাবাবেগে আচ্ছন্ন, তার পরিনতি যে কী হয়, কোথাও যাবো না গল্পটি তারই উদাহরণ। সহজ-সরল মেয়ে রাগিনী তার বাবা-মায়ের বড্ড আদরের। রক্তিমের সাহচর্যে সে বড় হতে থাকে। ছোটবেলা থেকে তাই তার বাবা-মা রক্তিমের কারণে ঠিকঠাক শাসন করতে পারে না। যার ফলে কিছুটা একরোখা আর জেদী হয়ে বড় হয়। ভালোবাসে রক্তিমের আগোচরে তারই বন্ধু মফস্বলের ছেলে রাহুলকে। এদিকে ছোটবেলা থেকে রাগিনীকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করতে করতে রক্তিমও ভালোবেসে ফেলে রাগিনীকে। তারপর কী হয়? রাগিনী কি রক্তিমের ভালোবাসার মর্যাদা দিতে পারে? রাহুলেরই বা কী হয়? রাগিনীর দুইদিকের এই টানাপোড়ন এর শেষ কোথায় গিয়ে ঠেকে? রাগিনী শেষ পর্যন্ত জীবনসঙ্গী হিসেবে কাকে বেছে নেয়? কার কাছে যায় সে? নাকি কারো কাছেই যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়! সম্পূর্ণ সামাজিক প্রেক্ষাপটে রোমান্টিক উপন্যাস “কোথাও যাবো না”।