দীর্ঘশ্বাস ফেললো ঈশিতা। অনিক কে কোন ভাবে বোঝানো যাবেনা..একদম যে অবুঝ! প্রচন্ড বাতাসে জানালার একটা কাঁচ ভেংগে গেলো। ঈশিতা তাড়াতাড়ি উঠে বন্ধ করতে গেলো। এত বাতাস,পারছেইনা। হঠাৎ আলতো একটা স্পর্শ টের পেলো, অনিক পেছন থেকে ওর হাতের উপর হাত রেখে বন্ধ করছে জানালা টা.. ভাঙা কাঁচ টুকু তে হাত কেটে গেলো অনিকের.. "এই,দেখো, কী অবস্থা...হাত কেটে গেলো তো!! কী করো তুমি এসব?" হাসলো অনিক..হাত ছাড়লো না.. "কী হলো,হাত ধরে রেখেছো কেন?" " কী? পারলে একা? ঝড় কে সামাল দিতে? "এতদিন তাই দিয়েছি" " আর এখন?" "বাকি টা জীবনও তাই দেবো। " "যদি আমি তা হতে না দেই?" হাত টা সরিয়ে নিলো ঈশিতা.. "স্পর্শের বাইরে ই থাকো,অনিক। সবকিছুর স্পর্শ পাবার ভাগ্য সবার হয়না" চশমার কাঁচ টা যখন তখন ঘোলা যে কেন হয়ে যায় অনিকের.. এই মেয়ে টা কি কখনো বুঝবেনা? নিয়মের বাইরে গিয়ে ভালোবেসেছে সে,কিন্তু ভালো তো বেসেছে..!! কী অদ্ভুত মানুষের মন,নিজেই নিয়ম ভাঙে,অনিয়মে বুঝি শুধুই ভাঙন ধরে??