অল্পবয়সী মেয়েরা প্রেমে পড়লে তাদের আচরণ গুরুজনদের কাছে যতই অদ্ভুত, উদ্ভট মনে হোক না কেন, তার নিজের সিদ্ধান্তটাই তার কাছে সেরা মনে হয়। সে কারণেই নীলা যখন হঠাৎ করেই ভিন্নধর্মের এক দরিদ্র যুবক- যার চাল-চুলোর কোনো খবর নেই তার প্রেমে পড়ে যায়, তখন পরিবারের হাজারো আপত্তির মুখেও সে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকলেও জীবনের ঘাত-প্রতিঘাতে একসময় সে উপলব্ধি করতে শুরু করে যে এই সম্পর্কটার ভবিষ্যত আসলে কোথায়? অন্যদিকে সেই যুবক, বিজয়ের ছেলেবেলার খেলার সাথী অপর্ণা যে বড় হয়ে উঠেছে এবং সেই অনেক বছর আগে থেকেই তাকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসে, সেটা নিয়ে বিজয় কখনো ভেবেও দেখেনি। তার প্রতি অপর্ণার এত গভীর ভালোবাসা বিজয়ের ক্ষেত্রে কি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব? নীলার সাথে তার বান্ধবী এশার ভাই ইমরানের একসময় কাকতালীয়ভাবে পরিচয় হয়। নীলা তখনও বিজয়ের প্রেমে মজে থাকলেও ইমরান একতরফাভাবেই নীলার গভীর প্রেমে পড়ে যায়। ইমরান একজন ফিল্ম ডিরেক্টর হওয়ায় নীলাকে নিয়ে একটি ফিল্ম বানানো শুরু করে। মধ্যবিত্তের একঘেয়ে জীবন থেকে বের হয়ে আস্তে আস্তে নীলা জৌলুস আর পরিচিতি পেতে থাকে, একসময় সে অবাক হয়ে দেখে, বিজয়ের প্রতি সে আর তেমন আকর্ষণ বোধ করছে না, বরঞ্চ ইমরানের না বলা আহ্বানের দিকেই সে এগিয়ে যাচ্ছে। নীলার মতো মেয়েদের জীবনটা অনেকক্ষেত্রেই এমন এক দ্বন্ধময় অনিশ্চয়তায় চলতে থাকে। কিন্তু এর শেষটা কীভাবে হবে?