চুর-চুরমার-ভাঙনের শব্দে যে ধ্বণিগুচ্ছ কিলবিল করে, ওরাই পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম কবিতা। কাগজ ছেঁড়ার অর্থহীন শব্দটিও তাই। হুল ফোটার আহঃ শব্দটিও কবিতা, সুঁই ফোটার উহঃ শব্দটিও। যে কালখণ্ড এইসব সূক্ষ্ম ও সৌখিন কবিতাকে স্পর্শ করতে পারেনি, সে ব্যর্থ। সে ব্যর্থ-কেননা সে শুধুমাত্র মনভাঙার (নৈঃ)শব্দকেই কবিতা ভেবে এসেছে। চিন্তাশীল মস্তিষ্ক ও প্রকৃতির দ্বিমুখী লেনাদেনার প্রতিটি মূহুর্তই কাব্যিক; যদিও আমাদের অভ্যাসে ছিলো একমুখী ক্ষরণ-নিঃসরণ। ফলে, কবি চাইলেন ধ্বংস! ধ্বংসস্তুপে গজিয়ে ওঠা অচেনা অজানা ঘাসের ঠোঁটে বেনামী ফুলের হাসি-জলসা। প্রচল কবিতার আরাম ভেঙে কাচভাঙার বিশৃঙ্খল ধ্বণিগুচ্ছ আর প্রহারের বেদনাতিক্ত শব্দের ঝংকারে কবিতা খুঁজতে চাইলেন তিনি, ইউটার্ন নেয়ার পূর্বে চাইলেন জল ও আহার! যে পাঠক দীর্ঘ ও দূরারোগ্য অভ্যাস খুলে পথের বৈরিতায় বিক্ষত হতে চান, উল্টো ঘুরে হাঁটা দিতে চান পুনরায় নিজেরই দিকে-তার জন্যই এই প্রলাপমুখর লাঞ্চবক্স। ডাইনিংয়ে অপেক্ষমান কাঁটাচামচের হুঙ্কার বাজছে-প্লিজ, বি সিটেড...