এক হাতে ছেঁড়া জুতা নিয়ে পীচঢালা তপ্ত রাজপথে হাঁটতে থাকে দীপা মাথা নীচু করে। ফিরে তাকায় না। জানে ফিরে তাকাবার উপায় তার নেই। শুধু বুকের ভেতর তীব্র এক কষ্ট, ব্যথার এক ঢেউ খেলে যায়। এলোমেলো করে দেয় তার পদক্ষেপ। ফিরে তাকিয়ে মঞ্জুর চোখের তারায় তাকাতে ইচ্ছে করে। গালের খরখরে দাড়ি ছুঁয়ে দেবার এক দুর্নিবার আকর্ষণ বোধ করে নিজের ভেতর। তবু ফিরে তাকায় না। ইচ্ছেগুলোর গলায় হাতচাপা দিতে শিখে গেছে দীপা, শিখতে হয়েছে তাকে। নিজেকে প্রবোধ দেয় নিজেই। ফিরে যাওয়া যায় না দীপা, যায় না। যদি ফিরে তাকাত একবার তবে দেখতে পেত মঞ্জুকে যেখানে ফেলে হারিয়ে গিয়েছিল দীপা বছর খানেক আগে, বোকা ছেলেটা ঠিক সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে এখনও।