শহরের বাড়িগুলো খুব পাশাপাশি অথচ-ভেতরের মানুষগুলো অনেক দূরে দূরে বসবাস করে। তাই আমার মা কোনোদিন শহরের অধিবাসি হতে পারেনি । সে এখন গ্রামে বসে-প্রতিভোরে গোবর দিয়ে উঠান পবিত্র করেন; পূজায় বসেন। পূজা শেষ করে খোঁজ নেন-হাঁসমুরগীগুলো কোথায় কেমন আছে। লাউয়ের ডগা আর কতো বড় হলে-মাচাটা কতোটুকু করতে হবে। আমি শত শত পথ দূরে থেকেও মায়ের এসব কাজ দেখতে পাই আর শুনতে পাই-মা আমাকে কখন কী বলছেন। যেমন করে শত শব্দের ভিড়েও বাসের ড্রাইভার-হেলপারের কথা শুনতে পায়।