"মানুষকথা" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ 'মানুষকথা' নাম থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, এই উপন্যাসে মাসুদা ভাট্টি শুধু মানুষের কথাই বলেছেন। বাস্তবের মানুষেরা তাঁর উপন্যাসে অবাস্তব হয়ে যায়নি বরং আরও বাস্তব হয়ে একেবারে আমাদের কাছে এসে দাঁড়িয়েছে এবং নিজেদের সুখ-দুঃখ-হাসি-কান্নার কথাই যেনো আমাদের বলতে চাইছেন। এই উপন্যাস পড়তে পড়তে তাই প্রতিটি মানুষকেই মনে হবে চেনা, পরিচিত কখনও একেবারেই আমাদের নিজেদেরই মতো। প্রবাসে জীবনের গভীর কষ্টবোধ, বন্দী দেশপ্রেম আর ভালোলাগার-ভালোবাসার গল্পই 'মানুষকথায়' মাসুদা ভাট্টি আমাদের শুনিয়েছেন। জীবন এখানে শুধু ভিন্ন নয় একেবারেই ভিন্নতর। ইসমেত মোর্শেদ অথবা ইলোরা শুধু এই উপন্যাসের দুটি চরিত্র নয়, এরা আপামর প্রবাসী বাঙালির প্রতিচিত্র।