"মার্কসের পর মার্কসবাদ" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: সমাজবিজ্ঞানী হিসাবে কার্ল মার্কসের (১৮১৮-১৮৮৩) অবদান অনস্বীকার্য। মার্কস মনে করেছেন, সমাজপরিবর্তনের ক্ষেত্রে শ্রেণিদ্বন্দ্বই প্রধান চালিকাশক্তি। মানবসমাজে দ্বন্দ্বের রয়েছে এক বিরাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। অথচ সমাজবিজ্ঞানের । যে মূল স্রোত অর্থাৎ কিনা যাকে ‘মেইন স্ট্রিম সােশ্যাল সায়েন্স’ বলে উল্লেখ করা হয় তাতে সমাজে দ্বন্দ্ব ও সমাজে আমূল পরিবর্তনের যে কোনও ভূমিকা রয়েছে তা আগাগােড়া উপেক্ষা করা হয়েছে। ১৮৮৩) সালে মার্কসের মৃত্যুর এতবছর পরে মার্কসের তত্ত্ব যতই প্রণিধানযােগ্য ও মানবিক দৃষ্টিসম্পন্ন বলে বিবেচিত হােক না কেন, তা যে আরও সময়ােপযােগী ও সৃজনশীল হওয়া প্রয়ােজন, এই গ্রন্থের বিভিন্ন প্রবন্ধে তারই আলােচনা। তবে মার্কসের চিন্তাকে সময়ােপযােগী হিসাবে গড়ে তােলার পাশাপাশি তার চিন্তার মৌলিক বিষয়বস্তু যে এখনও যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক সেকথাও যুক্তিনিষ্ঠভাবে তুলে ধরা হয়েছে এখানে।