একমাত্র মা-ই বেঁচে ছিলেন। তাঁর চার ছেলে চার জায়গায় শেকড় গেড়েছে। অবশ্য বিজনের ক্ষেত্রে কথাটা বলা সম্মত হবে না। বেশিরভাগ গাছ বড় হতে হতে মাটির তলায় শেকড় ছড়িয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়, কোনো কোনো গাছ শেকড় ছড়ায় না, পাশে বড় গাছ পেলে তাকে আঁকড়ে থাকে।
বিজনের জীবনযাপন অনেকটা সেইরকম। সে থাকে ভুবনেশ্বরে। মাত্র দেড় বছর আগে ওই শহরে বদলি হয়ে গিয়েছিল। হাতে টাকা জমলেই সে চাকরি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে। ভারতবর্ষটা প্রায় দেখা হয়ে গেছে এর মধ্যে। টাকা ফুরিয়ে গেলে আবার চাকরির সন্ধান। নেট খুঁজলেই একটা না একটা পেয়ে যায়। যাদবপুরের কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারের চাকরির অভাব এখনও এদেশে হয় না।