মেঘশিল্পের মমিগ্রহ হাতের মুঠোয় রেখেছি জলের ঢেউ, আর উত্তপ্ত চাঁদের আয়নায় নিজের মুখ দেখতে দেখতে, দূর থেকে উড়ে আসা পাখিদের বলেছি, তোমরা গেয়ে শোনাও মেঘশিল্পের গান—; আর যারা আঁকতে পারে ছবি, যারা বুনতে পারে শিশিরের শিখা—তাদের জন্যে জমিয়ে রাখো আগামীর বসন্ত, যেখানে আমার সন্তানেরা কুড়াবে ফুল। অথবা নক্ষত্র কুড়াতে কুড়াতে তারা বদলে দেবে নিজেদের কররেখা! ভাগ্যবদলের সুর তোলে মাঠে যেভাবে নিজের অস্তিত্ব জানান দেয় রাখাল— যেভাবে নৌকোর হাল ধরে নদী’র দখল নেয় দক্ষ মাঝির দুটি হাত, তার কাছেই পরাজিত হয় ঝড়ের হাওয়া! সকল গ্রহের উৎস হয়ে এই সৌরলোকে দীপ্তিমান থাকে যে মমিগ্রহ; আমি তাকেই রাখতে চেয়েছি আমার কাব্যক্যানভাসে মানবতাকে মান্য করে, আমি পৃথিবীর প্রতিটি পুষ্পে বিতরণ করতে চেয়েছি সমতার বিনম্রপরাগ।