বাঙালি মেয়েদের আত্মজীবনীতে সুতপা ভট্টাচার্য অন্বেষণ করেছেন মেয়েদের আত্ম-অন্বেষণের আত্মদর্শনের দিক। স্মৃতিকথা নিয়ে গবেষণায় ঝোঁকটা থাকে ইতিহাসের দিকে। ইতিহাসের অনুসন্ধান নয়, তাঁর 'মেয়েদের স্মৃতিকথা' বইটির আলোচ্য মেয়েদের আত্মতার অনুসন্ধান, বইয়ের প্রতি অধ্যায়ের নামে আছে 'আত্ম' শব্দটি। যুগ যুগ ধরে মেয়েদের হয়ে-ওঠা শুধু নির্দিষ্ট কিছু গুণাবলীর শর্ত দিয়েই বেঁধে দিয়েছে পিতৃতান্ত্রিক সমাজ। 'আমি কে'- এ প্রশ্ন মেয়েদের ক্ষেত্রে তাই ওঠেই না, 'আমাকে কী হতে হবে'- এইটেই তার কাছে যেন একমাত্র সত্য এই সমাজে। সময়ের দিক থেকে, সমাজের দিক থেকে, সম্পূর্ণ ভিন্ন কয়েকটি জীবন-পরিস্থিতিতে উপস্থাপিত আত্মতার ভিন্নতাকে ইতিহাসের পটভূমিতে অনুভবের অমূল্য নির্যাস 'মেয়েদের স্মৃতিকথা'।