"মিশর দেখে এলাম" বইটিতে লেখা ফ্ল্যাপের কথা: ইজিপ্ট বা মিশর সম্পর্কে আকর্ষণ সবার। বহু মানুষের কাছে এক রহস্যময় জগৎ। মিশর মানেই পিরামিড, ফারাওদের জীবনকাহিনি আর তাদের মমি। এত প্রাচীন, এত সমৃদ্ধ সভ্যতা আর নেই। গির্জার সুবৃহৎ রাজকীয় পিরামিড কিংবা স্ফিংস, ফারাওয়ের বিশালাকায় মূর্তি, ভ্যালি অফ কিংস অথবা ভ্যালি অফ কুইনস-এ অবস্থিত। বালকরাজা তুতানখামন কিংবা রানি নেফারতিতির সমাধিস্থল, মিশরীয় চিত্রলিপি, প্যাপিরাস কাগজে লেখা অজস্র পুঁথি ধরে রেখেছে সেই সময়কে। মিশরের সভ্যতা শুরু হয়েছিল পাঁচ-ছ’ হাজার বছর আগে। হয়তো তারও আগে। সেই ইতিহাসের টানে লেখিকা পৌঁছে ছিলেন ফারাওদের দেশে। দু চোখ ভরে দেখেছেন প্রাচীন মিশর, খুঁজেছেন সেই বিস্ময়ে ভরা অবিশ্বাস্য দিনগুলির তল-অতল। আবার আধুনিক মিশরের জীবনযাত্রাও তাকে মুগ্ধ করেছে। লেখার গুণে তিনি খুব সহজেই সঙ্গী করে নেন ভ্রমণরসিক পাঠক-পাঠিকাদের। অনাড়ম্বর অথচ তন্নিষ্ঠ বর্ণনায় মিশর জীবন্ত হয়ে উঠেছে লেখিকার কলমে। সব মিলিয়ে মিশর দেখে এলাম’ এক ‘ওয়ান্ডার ল্যান্ড’-এর পুনরাবিষ্কার।