বলছি না কবিতা লিখেছি। আসলে আমি কোনো কবি নই। তবে ছোটো এই মনটিতে যখন ঠাসাঠাসি হয়ে ভিড় করে শব্দরা তখন মনটাকে হালকা করার তাগিদে আমি কেবল অনুভূতি দিয়ে শব্দের মালা গাঁথি। অতঃপর সে মালা কোনো নাম পাওয়ার যোগ্যতা রাখে কি না তাও জানি না। যদি কেউ নামকরণ করে তাতেও আপত্তি নেই! তবে নিয়মনীতিহীন এই অনুভূতির প্রকাশটাকেও একধরনের কবিতা মনে হয় আমার কাছে। শিউলী রায় জন্ম ২৯ জুন ১৯৮০, সন্দ্বীপ, দীর্ঘাপাড় গ্রামে জমিদার প্রাণকৃষ্ণ রায় এর কনিষ্ঠা নাতনি। বাবা ডা. অবনী মোহন রায় ছিলেন চেয়ারম্যান এবং সমাজসেবক । ছোটোবেলা থেকে সন্দ্বীপের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে জড়িত। লেখার চেষ্টাও স্কুলে পড়ার সময় থেকে। যদিও পরে তা আর চর্চা রাখা হয়নি। মা একজন সাধারণ গৃহিণী হলেও সবদিক থেকে উৎসাহ দিতেন। স্বামী বাসব শীল একজন সফল সংগঠক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী।