এই পৃথিবীতে সর্বপ্রথম যিনি “ভালোবাসি” শব্দটি আবিষ্কার করেছিলেন, তিনি শব্দটিকে যদি প্যাটেন্ট করে নিতেন তাহলে তো আর কেউ শব্দটি ব্যবহার করতে পারতেন না। তার মানে কী এই পৃথিবী প্রেম শূন্য হয়ে যেত! ভালোবাসা আর কবিতা সমার্থে ব্যবহারে ভালো মানায়। তাই কবিতায় আমি-তুমি এসেই যায়। প্রেম শূন্য পৃথিবী কে চায়? কবিতা শূন্য পৃথিবী কে চায়? এই শ্যামল ধরায় শুধু ভালোবাসা চাই, ভালোবাসতে চাই। আর এখানেই কবিতার সার্থকতা। কবিতা মানে কী? তোমার জন্য আমার ক্রন্দন, আমার জন্য তোমার অভিলাষ, তোমায় দেখে আমার উচ্ছ্বাস। প্রেম যদি কবিতা হয়, তবে কবিতা মানে “আমি-তুমি”। কোথাও তুমি ঈশ্বর, কোথাও তুমি প্রকৃতি, কোথাও তুমি নিজেই। এইখানে কবির প্রেম এক মায়াবতী’র মুগ্ধতায়, ভালোলাগায়, ভালোবাসায় এবং কবিতার সর্বজনীন এই ধারাটিই “ম’তে মায়াবতী” কাব্যগ্রন্থে মূর্ত হয়ে উঠেছে; ভালোবাসার সকল রস-রূপ-গন্ধ ধরা দিয়েছে আপন মহিমায়।