বেহার প্রদেশের ছোটখাট একটি স্টেশন।
শহরটা স্টেশন থেকে পূবে বেশ খানিকটা দূরে এবং ইতস্তত ছড়ান। আর দক্ষিণ দিকে শহর গড়ে ওঠে নি। জঙ্গল আর ছোট ঘোট পাহাড়। জঙ্গল যেখান থেকে শুরু হয়েছে তারই মাইল খানেক আগে একটা পুরাতন কুঠি বাড়িতে বর্তমান কাহিনীর যবনিকা উত্তোলিত হচ্ছে।। কুঠি বাড়িটার আশপাশে অন্তত মাইল খানেকের মধ্যে আর বসতি নেই। শুধু আছে একটা নাতি-প্রশস্ত পথ। তবে জঙ্গল সীমানার বরাবর কিছু দেহাতী গোয়ালা শ্রেণীর ললাকের বাস আছে।
কুঠি বাড়িটা শোনা যায় এককালে নাকি কুখ্যাত নীলকুঠি ছিল। ফ্যালকন সাহেবের নীলকুঠি। পরে ঐ সাহেবের মৃত্যুর পর এক ধনী বেহারী ভদ্রলোক ঐ কুঠি বাড়িটা তার আত্মীয়দের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে ক্রয় করে নিয়েছিলেন। ক্রয়ই করেছিলেন- বসবাস কেউ করে নি ওখানে। পড়ো বাড়ির মতই কুঠি বাড়িটা বহু বছর ধরে পড়ে ছিল। তার পর বছর আষ্টেক আগে হঠাৎ যুদ্ধ থেমে যাবার পর যুদ্ধ-ফেরতা মেজর রাজেশ্বর চৌধুরী কুঠি বাড়িটা ক্রয় করেন এবং সমস্ত বাড়িটা সংস্কার করে সেখানে এসে বাস করতে শুরু করেন।
প্রায় দেড় বিঘা জায়গা নিয়ে কুঠি বাড়িটা।
আর এই কুঠি বাড়িটিকে কেন্দ্র করেই মুখোশের প্রেক্ষাপট রচিত। গল্পের বাকি অংশ জানতে বইটি পড়ুন.......