ত্রিপুরা মুক্তিযুদ্ধের এক পবিত্রতীর্থ ভূমি। তীর্থস্থান ভ্রমণে যেমন পূর্ণ হয়, ত্রিপুরার কথা ভাবলে তেমনি মন হয় আবেগপ্রবল। মুক্তিযুদ্ধের শুরুটা ছিল ত্রিপুরা কেন্দ্রিক। যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি গণযুদ্ধ, সেক্ষেত্রে হাজার হাজার মানুষ ছুটে চলেছে ত্রিপুরায়। জিনিষপত্রের দাম বেড়েছে সেখানে। তখনকার জনদুর্ভোগ প্রবৃত্তিকে জানতে হলে পড়তে হবে এমন গ্রন্থ, যেখানে থাকবে সরেজমিন তথ্য। এমন এক সরেজমিন গ্রন্থের নাম মুক্তিযুদ্ধে অমোচনীয় ত্রিপুরা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরাবাসীর ভূমিকা মূল্যায়ন নিয়ে এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য আমাদের পরমপরায় কাজ করে যেতে হবে। এই ধারাবাহিকতায় লোকমান হোসেন পলা লিখেছেন মুক্তিযুদ্ধে অমোচনীয় ত্রিপুরা গ্রন্থ। লেখক ঘুরেছেন যুদ্ধকালীন সময়ের স্মৃতিবিজড়িত ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। আলাপ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে, সংগ্রহ করেছেন নানা তথ্যমালা, লিপিবদ্ধ করেছেন বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষাৎকার। দীর্ঘ শ্রম ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ভেতর দিয়ে রচিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে অমোচনীয় ত্রিপুরার গ্রন্থ। যা আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকেবে ইতিহাস হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।