অন্তিম শয্যায় শায়িত মাকে দেখতে রওনা দেয় কলেজ পড়ুয়া তরুণী ডার্বি থোর্ন। মাঝপথেই তুষার ঝড়ে আটকা পড়ে কলোরাডোর পাহাড়ি রাস্তায়। ঝড় ঠেলে এগোবার উপায় না দেখে অগত্যা থামে এক নির্জন হাইওয়ে রেস্ট শপে। ছোট্ট বিল্ডিংটায় দেখা মেলে ওরই মতো ঝড়-কবলিত চারজন মানুষের। ফোনে সিগন্যাল না পেয়ে অপেক্ষা করতে করতে বিরক্ত হয়ে ঝড়ের মাঝেই বেরিয়ে পড়ে ডার্বি। তখনই পিলে চমকানো একটা আবিষ্কার করে বসে। ওর গাড়ির পাশে পার্ক করা ভ্যানে কুকুরের খাঁচায় বন্দী করে রাখা হয়েছে ছোট্ট একটা মেয়েকে! কে এই শিশু? কে অপহরণ করে নিয়ে এসেছে তাকে? ঝড়ের প্রকোপে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বাইরের দুনিয়ার সাথে যোগাযোগের কোনো উপায় নেই। না আছে ফোনের নেটওয়ার্ক, না আছে পালাবার রাস্তা। সব থেকে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো সেই চারজনের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে কিডন্যাপার! কিন্তু কে সে? কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না ও। জীবনে কখনও এমন বিপদে পড়েনি ডার্বি। চারজনের মধ্যে কে শত্রু কে মিত্র জানে না। বাচ্চাটাকে খাঁচা থেকে মুক্ত করলেও নিস্তার নেই। বাইরে থেকে সাহায্য আসবে না, পালাবার পথ খুঁজে বের করতে হবে দ্রুত। নইলে খোয়াতে হবে নিজের প্রাণটাই। পাঠক! টানটান উত্তেজনাময় রোলার কোস্টার রাইডে চেপে বসার প্রস্তুতি নিন।