নাহিদ-রুমকী’র ক্যাম্পাস উপাখ্যান ঐতিহাসিক রাজনৈতিক উপন্যাস। ১৯৮৩ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পদত্যাগ পর্যন্ত এই উপন্যাসটির কাহিনি বিস্তৃত হয়েছে স্থান, কাল, পাত্র উল্লেখপূর্বক কিছু বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষাপটে। সংগত কারণে এই উপন্যাসের ভূমিকার আবশ্যকতা দেখা দিয়েছে। স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নানান ঘটনাপ্রবাহে কেউ উপস্থাপিত হয়েছেন নায়ক, মহানায়ক আবার কেউবা খলনায়ক হিসেবে। ’৮০’র দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ঘটনাপুঞ্জি বর্ণনায় আমি কিছু ঐতিহাসিক তথ্য অনুসন্ধান করেছি বরেণ্য রাজনীতিবিদ, ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্নার বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ, ড. মোহাম্মদ হান্নান এর বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস : এরশাদের সময়কাল থেকে। এ ছাড়াও ’৮০’র দশকের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, জার্নালের আশ্রয় নিয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রেফারেন্স বিভাগ থেকে। নাহিদ-রুমকী’র চরিত্র দুটি রূপক। ’৮০’র দশকে তারুণ্যিক উদ্দীপনায় ভরপুর এই দুই তরুণ তরুণি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর মুখপাত্র মাত্র। এ ছাড়াও আরও কিছু রূপক চরিত্র উপস্থাপিত হয়েছে। এই সকল চরিত্রের সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত জীবন, ঘটনার মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়। বাস্তব চরিত্রের সাথে এর কোনো মিল নেই। এজন্য আমাকে দায়ী করা যাবে না। নাহিদ-রুমকী’র ক্যাম্পাস উপাখ্যান লিখেছি আমি নিজের ভালোলাগা সৃষ্টির কারণে। ১৯৯২ সালে ব্যাংককে থাকাকালীন, ৩১ বছর আগে এই পা-ুলিপিটি লিখি।