এই শতাব্দীতে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের ট্রাজেডি ‘নাফ নদীর তীরে’ পরিলক্ষিত হলো...হচ্ছে। বছরের পর বছর হাজার হাজার রোহিঙ্গা কয়েকশো মাইল দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে মিয়ানমার সরকারের নির্যাতন থেকে শুধু প্রাণ বাঁচানোর জন্য। ২৬ আগস্ট ২০১৭ তারিখের পর মিয়ানমার নামক রাষ্ট্রীয় অত্যাচারের মাত্রা এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সে সময়ে মাত্র দুই সপ্তাহেই প্রায় ৩ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করেছে। মিয়ানমারের নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর দেশটির এই নির্মম নির্বিচার সামরিক আক্রমণের ফলে গণহারে দেশটি থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানেরা পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে। এই যাত্রার পরিণাম নৌকাডুবি, ক্ষুধা ক্লান্তিতে মৃত্যু। জীবন বাঁচানোর এই যাত্রার উপাখ্যান ‘নাফ নদীর তীরে’। রাষ্ট্রের হাতেই মানুষের পরিচয়, তথা জীবন বাঁধা। কখনো কখনো একটি ভ‚খণ্ড হয়ে ওঠে মৃত্যুপুরী। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য এমনই একটি মৃত্যুপুরি। এ উপন্যাসে উঠে এসেছে একটি পরিবারের জীবন বাঁচানোর সংগ্রাম। দুটি শিশু ও এক অসহায় মায়ের প্রাণ বাঁচানোর কাহিনি ‘নাফ নদীর তীরে’। এ গ্রন্থ পাঠে চোখ ভিজে যায় জলে... হিম হয়ে আসে শরীর...