নিশি’ এমন এক থ্রিলার, যাকে শুধুমাত্র ‘থ্রিলার’ না বলে ‘পিরিয়ড থ্রিলার’ বলাই বোধ হয় যথাযথ হবে; কারণ এই থ্রিলারের সময়ের বিস্তৃতি ১৮৫৫ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের এই কাহিনির নায়ক রজনীকান্তের ঠাকুরদা নিশিকান্ত রায় ভাগ্যের ফেরে মানুষ হন ঠগিদের সান্নিধ্যে। আয়ত্ত করেন নানান গুপ্তবিদ্যা আর সেই বিদ্যার ভাণ্ডার তিনি দিয়ে যান রজনীকে। এদিকে রজনী এক কলেজে পড়া শিক্ষিত যুবক যে নিজের দেশকে ভালোবাসে আর শক্তসমর্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্যে গ্রামের ছোটো ছোটো ছেলেদের তাইকোন্ডোর তালিম দেয়। কিন্তু সেই টালমাটাল সময়ে তারই এক ছাত্র জড়িয়ে পড়ে এক আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের সঙ্গে যাদের শিকড় সুদূর বার্মায়। রজনী কি পারবে তার সন্তানসম সেই ছাত্রকে দুষ্টচক্রের হাত থেকে বাঁচাতে? পারবে কি তার অধীত বিদ্যার সাহায্যে ওই পাচারচক্রের একাংশকে ধ্বংস করে দিতে? তাহলে লোকে কেন বলে ‘নিশি’ একজন ‘সিরিয়াল কিলার’? সিনেমাটিক এই থ্রিলারে তাই একইসঙ্গে ধরা পড়েছে রহস্যের প্রহেলিকা, রোমাঞ্চের শিহরণ, ঐতিহাসিক নানান চরিত্রের কার্যকলাপ আর সাহিত্যরস।