কবিতা সাহিত্যের সবচেয়ে উচ্চাঙ্গের শাখা। সত্য, সুন্দর কিংবা শাশ্বত কল্যাণবোধ ও নন্দনবোধের সুতীব্র প্রেরণাই কবিকে কবিতার সৌধ নির্মাণে রসদ যুগিয়ে চলে। মিনু মিত্রের কবিতার বই নদীক্লান্ত ঘর। কবির কবিতায়ও আমরা সেই চিরায়ত মানবভাবনার বিচিত্র মানবিক ও শৈল্পিক দিক প্রত্যক্ষ করি। গভীর সংবেদনশীলতায় জীবনের বহুবর্ণিল রূপ- রস-গন্ধ ওঠে আসে তাঁর কবিতায়। তাঁর কবিতায় প্রেম, প্রকৃতি, জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার শতধা বিচ্ছুরণ ঘটেছে ব্যক্তিক অনুভবের স্তর থেকে। ক্রমে তা স্বদেশ, সমাজ ও সমকালীনতার সহস্র অভিঘাতে সামষ্টিক বিষয়- ভাবকেও সম্পৃক্ত করে। এভাবে তাঁর কবিতা হয়ে ওঠে অনুপম সৌন্দর্যের আকর। এই কবিতাপাঠে আলোড়িত হবে পাঠক এবং কাব্যানুরাগী মানসে নিশ্চয়ই জন্ম নেবে নবতর কাব্যবোধ।