ভালোবেসে কবিতা কবিতা খেলা হোক... নিজের একটা কবিতার শহর হোক... পৃষ্ঠার আদরে লেগে থাকুক কলমের দরদভরা কান্নাপ্রপাত। প্রেম তাতে ডুবুক-ভাসুক, তার ভেতরেই পথ করে নিক অপাঙ্ক্তেয় কবিতা। যে কবিতা মনের কথা জানে, যে কবিতা ঘাসের বুকের গন্ধ চিনে, নতুন এক শিশির কাব্য লিখবে বলে যে কবিতা, শিশিরে ভিজে অদৃশ্য হয়েও আবার ফিরে আসে... যে কবিতা পানকৌড়ির ডুবসাঁতারে, সকালের আড়মোড়া ভাঙা জানালা, পাতার বাঁশির সুরে ক্লান্ত দুপুরের ঘাম মুছিয়ে দেয়া দেউড়ি। সন্ধ্যার সব অস্পৃশ্যতা ভেদে সেই কবিতারে ছোঁব, ছুঁয়াচে অসুখ হলে হোক। ভাঙাচোরা গল্পের আসরে জীবনের টানাপোড়েন আর কবিতার মুখে মনের মানুষের চেহারাটা এবার যে না আঁকলেই নয়--নিভৃত সন্ধ্যায় চামেলিরে ডেকে যে চাঁদ নেমেছিল মৃত্তিকার বুকে। বানভাসি জোছনার ডুবসাঁতারে আজ তার অভিষেক হবে। ভালোবাসার কবিতা--একটা অশ্রুত কণ্ঠস্বর একটা অস্পষ্ট চেহারা, একটা অদেখা মনের মানুষের সাধনায়, আরশিনগরের গহিন প্রেম কাহিনি। নৈঃশব্দ্যেই সে কাহিনি, প্রতিটি মনের খোলা উঠানে বৃষ্টি ঝরাক, ত্রুটি বিচ্যুতির ছাতা উড়িয়ে দিয়ে...