লৈঙ্গিক রাজনীতির শিকার নারীর আত্মপরিচয় নির্ণয়ের যুদ্ধযন্ত্রণা, নারীবাদ, পুরুষতন্ত্রের বিপরীত স্রোতে ভাসবার সাহস আর সমাজবাস্তবতার দ্বান্দ্বিক বোধ তার কবিতার প্রধান বিষয়। তার কবিতার নারী সনাতন নারীর সমাজনির্ধারিত মৌলভূমিকা থেকে বিচ্যুত, স্বাধীন তার মাংসকুঞ্জ, সার্বভৌম তার দেহ। পুরুষের পৃথিবীতে শেলী নাজ সৃষ্টি করতে চেয়েছেন এমন এক ইউটোপিয়া যেখানে নারী আর রহস্যমদির নয়, বরং রহস্যভেদী, পিতৃতন্ত্রে আঘাত করে তৈরি করতে চেয়েছেন নারীপুরাণ। ফলে স্বশাসিত নারীর দুঃখ, দুঃখভোগ ও অর্গল ভাঙ্গার অভিজ্ঞতাই হয়ে উঠেছে তার কবিতাসমগ্রের স্মারক।