মূল চরিত্র অবনীর ছোট বোন তৃণা। তাঁর স্বভাব আচরণে বোঝার কোনো উপায় নেই যে, সে কলেজে পড়ুয়া একটা মেয়ে। তাঁর কথাবার্তা শুনে মনে হবে সে আড়াই তিন বছরের শিশু। তবে তৃণা যা বলে তাই করে, খুবই সত্যবাদী। কোনো রাগঢাক নেই বা কোনো সংকোচ নেই। যা মনে আসে তাই বলে ফেলে। নয়তো কলেজ পড়ুয়া মেয়ে হোম টিউটরকে বলতে পারে, আমি কিন্তু আমার টিচারকে পছন্দ না হলে চেয়ার থেকে ফেলে দেই। আবার বলে, আপনার কি এটা স্কুল ড্রেস। একই ড্রেস পরে প্রতিদিন আসেন কেন? এমন অদ্ভুত অনেক কথাবার্তাই তৃণা বলে থাকে যা বাস্তব কঠিন সমাজে স্বাভাবিকভাবে মানুষ গ্রহণ করে না। আসলে তৃণা বোকা নয়, খুব সহজ সরল একটা মেয়ে। মজার চরিত্রের তৃণাকে ওর স্যার ভালোবেসে ফেলে, আবার ভয়ও পায় কখন কি কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে। তৃণার বড় বোন অবনী প্রায়ই একটা ভয়ংকর স্বপ্ন দেখে। স্বপ্নটা দেখার আগে শরীর পুরো ঘেমে যায়, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হয়। দিপু আর অবনীর দীর্ঘদিনের প্রেম। প্রেমময় জীবনে কী হলো অবশেষে? অবণী কোনটাকে বেছে নেবে, আবেগী ভালোবাসা নাকি নিষ্ঠুর বাস্তবতা? সব মিলিয়ে উপন্যাসটি বেশ চমৎকার। একবার পড়া শুরু করলে শেষ অব্দি না পড়া পর্যন্ত ছেড়ে উঠা খুব মুশকিল।