যাপিত জীবনের নানা প্রসঙ্গ তুলে এনে গল্পকার অত্যন্ত সহজ ভাষায় তার গল্প বুনেছেন। আমাদের সমাজের বিভিন্ন সমস্যা যা প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশে ঘটছে তাই নান্দনিকভাবে গল্পে রূপ দিয়েছেন। এই গল্পকার অনেকটা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মতাে। সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা এসব নিয়েই মানুষের সংগ্রামমুখর জীবন। বাঁক বদলের ধারাবাহিকতা মানুষের জীবনেও বিদ্যমান। প্রিয় হারানাের বেদনার সাথে অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করতে হয় প্রতিনিয়ত। আবার কেউবা নির্যাতন সইতে সইতে অভ্যস্ত। নারীর বৈষম্য, অবিচার, লাঞ্চনা যেন স্বাভাবিক ব্যাপার। ঝরঝরে গদ্যে নীরব প্রতিবাদের ভাষা লক্ষণীয়। অধিকাংশ গল্পের সময়কাল যেন আশি-নব্বই-এর দশক। তবে আধুনিকতার বিচারে মনে হবে কয়েকদিন আগের। সবকিছু ছাপিয়ে মানুষের জীবনের সৌন্দর্য-ই প্রধান।