ফ্ল্যাপে লেখা কথা ... জন্মমাত্র ডাস্টবিনে নিক্ষিপ্ত একটি শিশু দৈবক্রমে কাক-কুকুরের হাত থেকে বেঁচে য়ায়। তবে, ঐসব ইতর প্রাণিদের চেয়ে অতি উৎকৃষ্ট জীবন তার নয়। অচ্ছুত-অপাংক্তেয় হিসেবে উড়ে উড়ে, ঘুরে ঘুরে পঁয়ত্রিশটি বছর কেটে যায়। এর মধ্যে, প্রকুতির প্রাত অভিমানবশতঃ তার বৈরাগ্য জীবনের বয়সও বিশ বছর। শৈশবে বিশেষ একটি নাম পেয়েছিল সে- জোহেব মাসুদ। কৈশেরে নিজেই সে নাম পাল্টে নেয়। পরীক্ষার সনদপত্রদিতে লেখানো হয় ’মানস প্রবর’। পিতা - অজ্ঞাত। ধর্ম - প্রযোজ্য নয়। - এমন বায়োডাটা নিয়ে একসময় বিতর্ক চাউর হয়। চক্রান্তকারীরা মানসকে ’অবাঞ্ছিত’ ঘোষণার চেষ্টা করে। ঠিক তখনই ’অবঞ্ছিত’ ছদ্ম নামে মানসের অনেক বড় একটি পরিচয় বেরিয়ে আসে। মনি, মানসকে পাগলের মতো ভালোবাসে। ও-ই পৃথিবীতে মানসের একমাত্র সহমর্মী প্রাণ। কিন্তু নিজের অভিশপ্ত জীবনে মনিকে জড়িয়ে ওর জীবনটাও অভিশপ্ত করে তোলার ইচ্ছে মানসের নয়। তাই একসময় মনি’র জীবন থেকে দূরে সরে যায় সে। আবার ফিরেও আসে বছর তিনেক পর। একই কলেজে চাকরি নিয়ে মনি’র সহকর্মী হয়ে ফিরে আসে। একটি বিশেষ স্বপ্ন ও মিশন আছে তার..