জানি না, কোন বৃহৎ অট্টালিকা কিংবা অদৃশ্য সুখের প্রাচুর্যে ত্যাগ করে আমায় খুঁজে নিলে কোন্ সে মহাপুরুষের সাহচার্য? গভীর রজনী, বিদঘুটে অন্ধকার বিরহ ব্যথায় প্রকৃতির বুক নিরব স্তব্ধ দুর্বিষহ প্রতিটি নির্ঘুম প্রহর, কেবলমাত্র ঝিঁঝিঁ পোকার আর্তনাদ ব্যতীত পাইনা কোন শব্দ। জানি; হৃদয়ের দীর্ঘশ্বাস, বোবাকান্না পৌঁছবে না ঐ কর্ণ শিখরে; মিথ্যা অহমিকায় অন্ধ তুমি আমার বিলুপ্তি তব মন মন্দিরে। তাকাবে না আর পিছনে কোন শুভক্ষণে সোনালী সকালের মিষ্টি রোদ, চৈত্রের অলস দুপুর, নতুবা শেষ বিকেলের গোধূলি লগ্ন; উপভোগ্য হবে না আর তুমি হীনা হৃদয় হয়েছে ভগ্ন। ঐ দূর আকাশের রূপোলী চাঁদ নদীর বুকে ছলছল জল অহরহ ভাসে দেখি আনমনে তোমার প্রতিচ্ছবি কখনও বা শিশির ভেজা ঘাসে। অভিমানীনী; খুঁজেছি তোমায় শরতের কাশফুলের সমারোহে, বসন্তের গুঞ্জনমুখর পাখির কলকাকলীতে, খুঁজেছি তোমায় কুয়াশাজড়ানো ঝাপসা প্রকৃতির বুকে, বৈশাখী মেলায়, নবান্ন উৎসবে। জানি না; কবে, কখন, কোথায় পাব খুঁজে।