ভূমিকা অনেক প্রত্যাশার পর পরানের কান্না শুনতে পেলাম । এর পূর্বমুহূর্তে আর কিছুই ভাবি নি । চলৎশক্তি বিলুপ্ত নিশ্চল শীলার ক্ষণিক চলাই যেন অনেক অনেক দিনের পথ চলার এক জলন্ত নিদর্শন হাঁপিয়ে ওঠা, নির্লিপ্ত জীবন বঁধুয়ার অঞ্চল টেনে প্রেম নিবেদন করার জন্য এই যথেষ্ট । নিরবিচ্ছিন্ন অন্ধকার রজনীর রাতে কোন পথহারা পথিক পথের নিশানা না পেলেও চিয়ে জ্বলে পড়ে যাওয়া উল্কাপিণ্ডের আলোয় উহা কবি-লেখকদের জীবনের এক অমূল্য সম্পদ কেননা সুক্ষ্মবস্তুর বিচার, বিস্তার ও সম্প্রসার সূক্ষ্মতর হওয়া উহার মাহাত্ম আরো বাড়িয়ে দেয়, তাই হাতির শুঁড়ের চাইতে প্রজাপতির শুঁড়ের প্রদর্শনী সাহিত্যের রঙ্গমঞ্চে অনেক বেশী । — শামছুল হুদা