মানুষের জীবনে আশাগুলো সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো বড় থাকে। কিন্তু সব আশা কি পূর্ণ হয়? হয় না। তেমনি এক চরিত্র ‘অনামিকা’। যার জন্মের সময় তার মা মারা যায়। কিছুদিন পরে মারা যায় তার বাবা। জীবন যুদ্ধের রণাঙ্গনে হাজারও ঘাত-প্রতিঘাতে পাহাড় সমান ব্যথা বুকে চেপে জীবন চলার চারিপাশে জ্যোতি ছড়িয়ে যাচ্ছে অবিরত অনামিকা। কিন্তু নিজের জীবনের সুখ-শান্তির কথা ভাবেনি কখনো। অবারিত পাথারের মতো নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিচ্ছে অন্যের ভালো-মন্দ চিন্তা করে। এমনই এক চরিত্র অনামিকা। সমাজের অন্য দশটা মেয়ের থেকে তাঁর চিন্তা-চেতনাবোধের জায়গাটা অত্যন্ত প্রখর। তাই ‘অনামিকা’ সাধারণ এক মেয়ে থেকে হয়ে ওঠে অসাধারণ মেয়েতে। পাঠক ‘অনামিকার জ্যোতি’ উপন্যাসটি হাতে নিয়ে যখন পাঠ করবেন তখন অনামিকাকে আবিষ্কার করবেন তার প্রেম-বিরহে, প্রেমিক রাফির সাথে তার শেষ পর্যন্ত দেখা হলো কিনা সেটা জানার জন্য। আর এই সেই অনামিকা যে শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত দেহটাকে দান করে যায় দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের কাজে।