অনুভবে অপেক্ষা নিছক একটি প্রেমের গল্প নয়। এতে প্রবাহমান কাহিনির প্রয়োজনে সমাজের নানা অসঙ্গতি, বিশেষ করে করোনাকালীন ভয়াবহতার খণ্ডচিত্র গল্পের ভাজে ভাজে বাস্তবতার নিরিখে ফুটিয়ে তুলেছেন। গল্পের মূলপর্বে অনেকটা ত্রিভুজ প্রেমের মতো- নীতু, সালেহীন ও রিমনকে ঘিরে আবর্তিত হতে থাকে। নীতু ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রী, অত্যন্ত রূপসী একজন গুণী মেয়ে। অন্য একজন একই বিশ^বিদ্যালয়ের এবং অপরজন বুয়েট শেষ বর্ষের ছাত্র। রিমন নীতুকে একবার দেখেই ক্রাশ খেয়ে যায়, তাকে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেই পারে না। অথচ নীতুর সাথে তার কখনও কোন কথাই হয়নি, তবুও সে অপেক্ষায় থাকে। অন্য দিকে ভীষণ লাজুক সালেহীন, বন্ধুদের সহায়তায় নীতুর মোবাইল নাম্বার পেয়ে প্রথমে বন্ধুত্ব এবং পরে আরও অনেক বেশি এগিয়ে যায়, কিন্তু নীতুর সাথে তার দেখা হয়নি একবারও। সেও অপেক্ষায় থাকে। যথাসময়ে দুইজনেই নীতুর সামনে চলে এলে সে মারাত্মক অ¯^স্তিতে পরে। একজন নীতু দুই হৃদয়ের উত্তাপের প্রতিষেধক হতে পারে না। এমনি জটিল পরিস্থিতির অসাধারণ এক সমাধানের নাম অনুভবে অপেক্ষা।