ভূমিকা রজণী মানুষদ্বারে, রুদ্ধ মত-পথ, শকুনিতে থেকে করি বাচিবার ব্রত। ভালবাসা নাই তবু ভালবাসা দিয়ে, ভালবাসা-গান করি ইনিয়ে বিনিয়ে। ৮ ৬=১৪ মাত্রায় লেখা উক্ত চারলাইন সম্মুখে রেখে ছন্দে ছন্দে এগিয়েছে “অর্চনা”; বইটির ধারাবাহিকতা যদি বলতে হয়, তবে বলব, --- ঘৃণাক্ত বিদ্রুপে-ক্রোধে রোধে বিস্রংসন, ভালবেসে বেসে ডাকি অস্তিম শমন। প্রয়োজনাধিক্যকে যেমন বুদ্ধ্যুত্তর সর্বকাজে বিয়োজিত রেখেছি, এখানেও তা অবচেতনেই ধরা দিয়েছে। কেননা, আমার চৈতন্যে এমন একটি সতর্কঘন্টা প্রোথিত, যা অতিকিছু দেখামাত্র চেচিয়ে গর্জে বলে, অতিরঞ্জণ শুদ্ধমনে বিতৃষ্ণাকারক! সর্বোপরী সাহিত্যরসে পাঠক-পাঠিকার চিত্ততৃপ্তিই এ গ্রন্থের মুল লক্ষ্য।