বাইরে ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে, নিবেদিতা কিছু খাস্তা বিস্কুট আর চা এগিয়ে দিল। চেয়ারের হাতা থেকে আমার হাতটা তার হাতে নিয়ে দৃঢ় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার চোখের দিকে। সে যেন পাই পাই বুঝতে পারছে আমায়। সে আমাকে আমার চেয়ে ভালো বুঝে যেমন বুঝতো সেই মানুষটা যে এখন মিশে আছে আমার অতীতে, আমার ফেলে আসা বয়সে, সময়ে আর প্রকৃতিতে। ভুলে যাওয়ার রোগ দেখা দিয়েছে আমার, নিবেদিতা হয়তো মাঝেসাঝে বিরক্তও হয়ে ওঠে, বুঝায় না। যাকে পাওয়ার জন্য কোনো দোয়া খালি রাখিনি তাকে পেয়েও কোনো সুখ মিলে নি, শোকের কাতরে সুখ খুঁজতে বের হইনি কখনো। আজ এগারো বছর নিবেদিতা তার জীবন বেঁধেছে আমার জীবনের সুতোয়। তার জায়গায় যে কেউ হলে এতদিন ছেড়ে যেতো নির্দ্বিধায়। সে যায় নি তার ধৈর্য আছে বলা যায়। আমি ভাগ্যবান যে তাকে পেয়েছি আর দুর্ভাগ্যবানও কারণ সে আমাকে পেয়েছে। একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম,