মার্চ ২৪, ২০২১ ইসলামিস্ট ভার্সেস নাস্তিক - এই (আজাইরা) তর্কটার উপ্রে বেইজ কইরাই আসলে নয়া বাকশালের নৌকা এখনো ভাইসা আছে। মানে, এমন না যে, সো-কল্ড 'নাস্তিক'রা এই রিজিমের বিরোধিতা করতেছে এবং 'ইসলামিস্টরা' বিরোধিতা করতেছে না; বরং আমি দেখি যে, এর ভিতর দিয়াও একসাথে এক্ট করতে না-পারাটা, এই তর্কটারে আজাইরা প্রমাণ না করতে পারার একটা ঘটনা। এখন অই গ্রাউন্ডটাতে পৌঁছাইতে পারতে হবে আমাদেরকে যেইখানে 'ইসলামিস্ট' ও 'নাস্তিক' - এই ক্যাটাগরি'টা আর ফাংশন করতে পারবে না। ব্যাপারটা এইরকম না যে, দুনিয়াতে বা বাংলাদেশে 'নাস্তিক' ও 'ইসলামিস্ট' বইলা কিছু নাই, বরং খেয়াল করতে পারাটা দরকার এই ক্যাটাগরিটারে জ্যান্ত রাখার ভিতর দিয়া নয়া বাকশালের ন্যারেটিভ'টা নিজেরে কেমনে বাঁচায়া রাখতেছে। আরেকটু ঘুরায়া বলি, মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধী কেউ ছিল না - তা তো না, বা ধরেন, ধর্ম মানেন না - এইরকম লোকজন যে নাই, তা-ও তো না; (একটা সমাজে ১০১টা ক্রাইসিস থাকে) কিন্তু এইটা কেন আর কিভাবে বাংলাদেশের সেন্ট্রাল ক্রাইসিস হইতে পারে? এইটা বাংলাদেশের 'মূল সমস্যা' না; বরং সমস্যা হিসাবে জিইয়ায়া রাখা হইতেছে। তো, এই জায়গাটারে ইনভ্যালিড না কইরা কোন পলিটিক্যাল আলাপই কোন মিনিং তৈরি করতে পারবে না।