সুনীল ও হাত নেড়ে অনিতাকে বিদায় দিল। মুহুর্তেই ওরা স্বামী স্ত্রী অদৃশ্য হয়ে গেল। সুনীল কিছুক্ষণ সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে ভাবতে থাকে। দৈহিক মিলনের চেয়ে মনের মিলন অনেক বড়। আর এই প্রেমেই স্বর্গীয়, যা কলুষমুক্ত। তারপর তার সেই অতীত দিনের বন্ধুদের উপহাস করার কথা মনে পড়ে যায় তার। বন্ধুরা তাকে এমন কী অনিতাকেও ‘পথে পাওয়া প্রেম’ বলে কত না ঠাট্টা করেছে। বন্ধুদের এমন ধরণের উপহাস সত্যিই সার্থক হয়েছে। সুনীল ও অনিতা দুইজনে মানুষের জন্য কিছু করতে পেরেছে এটাই তাদের জীবনে পরম পাওয়া ও জীবনের সার্থকতা। এদিকে কখন যে সন্ধ্যা হয়েছে তা সুনীল বুঝতেই পারে নাই। হঠাৎ লাইট পোস্টে বিজলী বাতি জ্বলে উঠল। সুনীল বুঝতে পারল যে এখন এভাবে তার রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাবা উচিত নয়। তাই সে বাড়ি ফেরত আসার জন্য বাসে উঠে বসল।