মোস্তাফিজুর রহমান লিটন দেশানুরাগী তরুণ সত্তা। প্রায় বছর দশেক আগে ওর তরতাজা প্রাণের আনন্দ বেদনা মাখা গদ্য আর কাব্যকথা পাঠের সুযোগ হয়েছিল। মাঝে বড় সড় সময় বয়ে গেল অজান্তে। এই পৌষের মাঝামাঝি এক হিমেল সন্ধ্যায় মোস্তাফিজুর রহমান লিটন এলেন। তার ঝুলিতে এবার পৃথক প্লাবন এর জলের কোলাহল। গদ্যময় কবিতার একঝাক পদ্মরাগমণি। লিটন চেতনা ও ভালোবাসার দ্যুতিতে খুবই মানবিক আর সমসাময়িক। তার আবুতোরাবের ছেলেদের জন্য এলিজি আমাকে কাঁদিয়েছে খুব। আর দূরের বেলার ভালোবাসার স্বচ্ছ ও সাচ্চা অনুভূতির প্রকাশ খুব সুন্দর। তোমার মেয়েবেলা, যুবতীবেলা/ সবকিছু টপকে টপকে পেরিয়ে যাচ্ছো তুমি/ কোনো বেলাতেই তোমাকে আমি কাছে পাচ্ছি না। এ বিরহ ভাষণ বেশ মনোরম আর নস্টালজিক। লিটনের কবিতার সমকালীন রাজনীতি সচেতনতা, দ্রোহ, দহন, মিছিল ও স্লোগানমুখিতা বিপ্লবী দিনগুলোর আশা জিইয়ে রাখে। লিটনের অনুভুতিতে জমা আছে অগণন সুন্দর, সুপুষ্ট বীজধান। তারই কিছু এ কাব্যে আবাদিত হয়েছে। আসছে দিনগুলোতে তার ফসল সম্ভার আমাদের পরিবেষ্টিত করবে আরও। এই ব্যঞ্জনা পৃথক প্লাবনের বুকেই খোদিত হয়ে আছে। . হাফিজ রশিদ খান কবি