হিজলতলি গ্রাম, বাংলাদেশের আর সব গ্রামের মতোই এ গ্রামের প্রকৃতিও বড়ো মায়াময়। উপন্যাসের নায়িকা রোদেলা জান্নাত এ গাঁয়েরই মেয়ে। তিনি একজন সৎ, নির্ভীক, স্বাধীনচেতা সাংবাদিক। মায়াবী চেহারার রোদেলা নিম্নমধ্যবিত্ত এক পরিবারে বেড়ে উঠা মেধাবী তরুণী, যার নিজস্ব কিছু নীতিবোধ ও আদর্শ রয়েছে। নিজের প্রেমকে বুঝে উঠার আগেই তার বিয়ে হয়ে যায় উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান সাজিদের সাথে। শহুরে যান্ত্রিক ব্যস্ত জীবনে ক্লান্ত রোদেলা যেন জীবন থেকে পালিয়ে একটু নিঃশ্বাস নিতেই তার নিজ গ্রামে ফিরে যায়। গ্রামে ফিরে বিভিন্ন ঘটনার সম্মুখীন হয় রোদেলা। ওকে তাড়া করে ফেরে প্রিয় বন্ধু তন্ময়ের স্মৃতি। যাকে নিজের অবস্থানের কথা চিন্তা করে একসময় সে প্রত্যাখ্যান করেছিল, নিজেকে সরিয়ে নিয়ে জীবনকে সে অন্যভাবে সাজিয়েছিল। নিপুণভাবে সাজিদের সংসার করে গেলেও মানসিকভাবে তন্ময়কে ধারণ করে সে। গ্রামে ফিরে নস্টালজিক হয়ে পড়ে রোদেলা। সমাজের নানা অনিয়ম সামনে চলে আসে তার। সবকিছুরই সমাধান খোঁজে রোদেলা। এ ভাবেই উপন্যাসের কাহিনি এগিয়ে যায়। আশা করি বইটি সবার কাছে সুখপাঠ্য হবে।