বই এর প্রথম ফ্লাপ আলোচ্য খণ্ডে মোট আঠারো জনের পত্র প্রসঙ্গ আছে যার মধ্যে সতেরো জনের প্রসঙ্গ বিশ্বভারতীর ‘চিঠিপত্র'-এ নেই। একাদশ খণ্ডে অমিয়চন্দ্র চক্রবর্তীকে লেখা রবীন্দ্রপত্র সংকলিত হওয়া সত্ত্বেও আলোচ্য খণ্ডে উক্ত পত্র-সংকলন সম্পর্কে আমাদের নিবেদন : • একাদশ খণ্ডে সংকলিত না হওয়া অনেকগুলির চিঠির সন্ধান দেওয়া হল । • একাদশ খণ্ডে সংকলিত ২২টি চিঠির ৩০টি অংশে লিডার (...) চিহ্ন আছে। উক্ত অসম্পূর্ণ চিঠিগুলির পূর্ণ অংশ সংকলিত হল। • উক্ত খণ্ডে একটিও টীকা নেই। আলোচ্য গ্রন্থে রইল বিস্তারিত পত্র প্রসঙ্গ ও টীকা অংশ । • অমিয় চন্দ্রকে লিখিত বহু পত্রে রবীন্দ্রনাথ রচনাস্থানের উল্লেখ করেননি। এখানে প্রত্যেকটি চিঠির রচনা-স্থান নির্ণীত হল। • চিঠিগুলির বাংলা, ইংরেজি তারিখ সহ বার উল্লিখিত হল । • অমিয়চন্দ্রকে লেখা দেড় শতাধিক চিঠির মধ্যে ৩৫টি চিঠি ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে লিখিত। তার কিছু চিঠির হদিশ ‘রবিজীবনী'-তে পাওয়া গেলেও বাকি শতাধিক চিঠির বিস্তারিত বর্ণনা এবং রবিজীবনের নানান প্রাসঙ্গিক তথ্যের বিস্তারিত আলোচনা করা হল । সর্বশেষ নিবেদন : ‘রবীন্দ্র পত্রাভিধান' গ্রন্থটি বিশ্বভারতী কর্তৃক প্রকাশিত ‘চিঠিপত্র'-এর কোনো প্রতিযোগী সংকলন নয়। এটি তথ্যবহুল, গবেষণাধর্মী ভিন্ন মাপের স্বতন্ত্র একটি গ্রন্থ।