"রক্তপিপাসিনী" বইয়ের পেছনের কভারে লেখা:রক্তপিপাসিনী ম্যাডাম প্রতিদিন সকাল ও রাতে দু’গ্লাস করে রক্ত পান। করেন। একহাজার একজন কিশােরের রক্ত একত্রে যেদিন পান করতে। পারবেন সেদিন তিনি অমরত্ব লাভ করতে পারবেন। আর তার জন্য তিনি দুই হাজারের মতাে কিশাের। ধরে এনেছিলেন। কিন্তু লাভ হয়নি। অনেক কিশোেরই মারা গেছে। অনেকের বয়স বেড়ে যাওয়ায় তার। ওখানেই কাজ করে। বশীকরণ মন্ত্রে । তাদের আটকে রেখেছেন। একহাজার একজন কিশাের আর একত্র করতে পারেননি। তিনিও অমরত্ব লাভ করতে পারেননি এখনও। তারপরও তার লাভ আছে। মরা কিশােরদের চোখ, কিডনি, হার্ট ও কঙ্কাল বিদেশে পাচার করতে পারেন। কাউয়াখালির। জলে এক ভিন্নধরনের কাকের রহস্য উদ্ঘাটন করতে গিয়ে আরও অনেক মজার অভিজ্ঞতার মধ্যে। রক্তপিপাসিনী ম্যাডামের রহস্য। আবিষ্কার করে তিন কিশাের বন্ধু বঙ্কা, ঝঙ্কা ও ডঙ্কা।