আদিম যুগ থেকেই অশরীরী আত্মা মানুষের মনোজগতের অংশ। ভূত-পেত্নী সম্পর্কে অধিকাংশ লোক যেমন ভীত-সন্ত্রস্ত, অনেক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ আবার এদের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দিহান। তাই ভূত নিয়ে গায়ে কাঁটা দেওয়া ভয়ের অজস্র কিস্সা যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনি রংতামাশার গল্পও লেখা হয়েছে। এই বইয়ে লেখক মানুষের সেই রঙ্গরসকেই যেন উসকে দিতে চেয়েছেন। বস্তুত এটি অতিপ্রাকৃত গল্প ও রম্যসাহিত্য এ দু’য়ের সমন্বয়ে লেখা এক ভিন্ন অবয়বের কথাশিল্প।